নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
২২ বছর বয়সী তরুণ বায়েজিদের একসময় ছিল বুকভরা স্বপ্ন কিন্তু জীবনের নির্মম এক দুর্ঘটনায় আট বছর ধরে হয়ে পড়েছে বিছানাবন্দী। সিমেন্টের ভারী বস্তা তুলতে গিয়ে স্পাইনাল কর্ডে টান লেগে নিস্তেজ হয়ে যায় তার চলার শক্তি, থেমে যায় জীবনের গতি, স্তব্ধ হয়ে পড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর—চার দেয়ালের ভেতর সীমাবদ্ধ এক নীরব জীবন। বাহিরে যখন ঈদের আনন্দ, উৎসবের রঙ, বায়েজিদের মনে তখন নীরবতা আর দীর্ঘশ্বাস। বায়েজিদের বাবা বছরের পর বছর চেষ্টা করেও ছেলের জন্য একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করতে পারেনি। একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় সম্মানিত জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর। ঈদের নামাজের পর বৃষ্টির মাঝেই বায়েজিদের বাসায় গিয়ে তিনি উপহার দিলেন একটি হুইল চেয়ার —এটি কেবল একটি উপহার নয়, যেন বায়েজিদের নতুন করে বেঁচে ওঠার এক সম্ভাবনা, দীর্ঘদিনের বন্দিত্বের পর একফোঁটা মুক্তির আলো।
সম্মানিত জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এটি কেবল সহায়তা নয় বরং এটি সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ। বায়েজিদের জীবনে ঈদ আসুক বর্ণিল, আনন্দমুখর হয়ে।
জেলা প্রশাসন, পটুয়াখালীর পক্ষ থেকে সকলকে ঈদ মোবারক।