নিজস্ব প্রতিবেদক, হাবিবুর রহমান হাবিব
পবিত্র কুরআনের ৮৭তম সূরা ‘আল-আলা’ জীবনের এক গভীর সত্যের নির্যাস। সূরার শুরুতে পরম স্রষ্টার মহিমা ও তাঁর সুবিন্যস্ত সৃষ্টির যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তা আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তিকেই নাড়া দেয়। জীবনের নানা অস্থিরতা ও পার্থিব মোহে নিমজ্জিত মানুষ প্রায়শই ভুলে যায়—এই পার্থিব জীবন ক্ষণস্থায়ী, আর পরকালই চিরস্থায়ী ও উত্তম।
বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির তীব্র স্রোতে মানুষ যখন নিজের শিকড় ও নৈতিকতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তখন সূরা আল-আলার আধ্যাত্মিক আহ্বান আমাদের আত্মমূল্যায়নের তাগিদ দেয়। আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর প্রতি অবিচল কৃতজ্ঞতা এবং সত্যের পথে অটল থাকাই যে সফলতার মূল চাবিকাঠি, তা এই সূরাটি স্পষ্ট করে তোলে। সূরাটির শেষাংশে ইব্রাহিম (আ.) ও মুসা (আ.)-এর সহিফাসমূহের উল্লেখ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ন্যায় ও ইনসাফের চিরন্তন বাণী যুগে যুগে নবী-রাসুলদের মাধ্যমে মানবতার কল্যাণে অবতীর্ণ হয়েছে।
একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার বিশ্বাস, আমাদের প্রতিটি লেখনী ও কাজ যদি সেই মহান সত্তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত হয়, তবেই সমাজ ও ব্যক্তি জীবনে প্রকৃত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। সত্যের পথে অবিচল থাকাই হোক আমাদের জীবনের ব্রত।
লেখক:
সাংবাদিক ও কলামিস্ট, শাল্লা, সুনামগঞ্জ।