নিজস্ব প্রতিবেদক
গত ১১-০৭-২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকাল অনুমান ১৫:০০ ঘটিকায় সিরাজদিখান থানাধীন লতব্দী ইউনিয়নের লতব্দী এলাকায় ফজলু চেয়ারম্যানের প্রজেক্টের সামনে পাকা রাস্তার পাশে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতদেহের পা ভাঙ্গা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথেই সম্মানিত পুলিশ সুপার মুন্সীগঞ্জ মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় সিরাজদিখান থানার একটি চৌকস দল কাজ শুরু করে।
মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হলে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি নুরুল ইসলাম (৬৫), পিতা- মৃত আব্দুল জলিল, সাং- চর গুলগুলিয়া, ইউনিয়ন- বাসাইল, থানা- সিরাজদিখান, জেলা- মুন্সীগঞ্জ। তিনি পেশায় একজন মিশুক চালক ছিলেন। ভিক্টিম নুরুল ইসলাম ১১/০৭/২৬ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১.৩০ ঘটিকায় নিজ অটো চালিয়ে সিরাজদিখান থানাধীন কেয়াইন ইউনিয়নের চালতিপাড়া আন্ডারপাসের ভিতর পৌঁছালে অপরদিক থেকে দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে আসা অজ্ঞাতনামা ডামট্রাকের সাথে ভিকটিমের মিশুক অটোরিক্সা ধাক্কা খায় এবং এতে মিশুক চালক নুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়। এসময় ডামট্রাকের চালক হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে ভিকটিমকে সিরাজদিখান থানাধীন লতব্দী ইউনিয়নের লতব্দী এলাকায় ফজলু চেয়ারম্যানের প্রজেক্টের সামনের পাকা রাস্তার পাশে ফেলে যায় মর্মে স্থানীয় লোক মাধ্যমে জানা যায়।
পরবর্তীতে থানা পুলিশের একটি টিম ভিকটিমের ব্যবহৃত মিশুকটি উদ্ধারপূর্বক হাসাড়া হাইওয়ে থানায় সংরক্ষণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে অদ্য ইং ১৩.০৭.২৬ তারিখ এসআই রুবেল শিকদার, এসআই রাকিবুল ইসলাম ও এএসআই শরিফুল ইসলাম এর সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম লতব্দী ও ঘটনা স্থলের আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ, আশেপাশের সিসি টিভি ক্যামেরা ও তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ডামট্রাকের ড্রাইভার ইয়াসিন শেখ (২০), পিতা- মজিবর শেখ, সাং-খিদিরপুর, থানা- সিরাজদিখান, জেলা- মুন্সিগঞ্জকে সিরাজদিখান থানাধীন কুচিয়ামোড়া এলাকা হতে সকাল ৬.৪৫ ঘটিকায় গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আসামি ইয়াছিন শেখের দেখানো ও সনাক্ত মতে দুর্ঘটনায় ব্যবহৃত ডামট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো ট -১২-৪৩১৪) সিরাজদিখান থানাধীন লতব্দি ইউপিস্থ ইকো সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড এর সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে ইং ১৩/০৭/২৬ তারিখ সকাল ৭:২৫ ঘটিকার সময় উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
এই বিষয়ে থানায় একটি মামলা রজু করা হয়েছে - সিরাজদিখান থানার মামলা নং ২৫ তাং ১২/০৭/২৬ ধারা ৯৫/৯৮/১০৫ সড়ক পরিবহন আইন তৎসহ ২০১ পেনাল কোড।