নিজস্ব প্রতিবেদক
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, টেকনাফ বিশেষ জোন, কক্সবাজার-এর সহকারী পরিচালক জনাব কাজী দিদারুল আলম মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় একটি চৌকস রেইডিং টিম গঠন করা হয়। প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গঠিত রেইডিং টিমটি বেলা ১১:০০ ঘটিকায় কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানাধীন ০৪ নং সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ০৫ নং ওয়ার্ডের প্যান্ডেল পাড়াস্থ স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদা বেগম (৩০)-এর নিজ দখলীয় উত্তর দুয়ারী ৩ (তিন) কক্ষ বিশিষ্ট একতলা বিল্ডিং বসতঘর ঘেরাও করে। গৃহটি তালাবদ্ধ থাকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণের মধ্য থেকে নিরপেক্ষ সাক্ষী হিসেবে সাথে গ্রহণ করা হয়।
পরবর্তীতে আইনানুগ সকল বিধিবিধান অনুসরণ করে সকল সাক্ষীর উপস্থিতিতে রাশেদা বেগম (৩০)-এর বসতঘরের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে পলাতক আসামী রাশেদা বেগমের বসতঘরের পূর্ব পাশের শয়নকক্ষের ছানসেডের উপর রাখা একটি শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। উক্ত শপিং ব্যাগের ভিতর কাপড়ে মোড়ানো এবং স্কচটেপ ও পলি প্যাকেট দ্বারা শক্তভাবে বাঁধাই করা মোট ০৮ (আট)টি প্যাকেটে সর্বমোট ১৭,৬০০ (সতেরো হাজার ছয়শত) পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট রক্ষিত আছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটসমূহ দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় অভিযুক্ত আসামী রাশেদা বেগম (৩০) ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে এলাকায় জোর তল্লাশি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উক্ত পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মাদকমুক্ত সমাজ ও দেশ গড়ার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই জিরো টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কাজী দিদারুল আলম
সহকারী পরিচালক
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
টেকনাফ বিশেষ জোন, কক্সবাজার