
নিজস্ব প্রতিবেদক,
সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের দ্বীপ এলাকা গোলখালীর বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত জামির আলী জামু-কে জড়িয়ে সম্প্রতি কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত কুরুচিপূর্ণ ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি নিজে এবং গোলখালীর সর্বস্তরের জনসাধারণ।
সম্প্রতি ‘দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন’, ‘দৈনিক সময় বার্তা’, ‘দৈনিক সাতক্ষীরা কণ্ঠ’, ‘দৈনিক সময় বেলা’, ‘দৈনিক মুক্তি ৭১’ সহ বেশ কিছু গণমাধ্যমে জামির আলী জামু-কে ‘সীমান্ত সিন্ডিকেট’ বা ‘মাদক-অস্ত্র পাচারকারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংবাদগুলোকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।
জামির আলী জামু এক বিবৃতিতে বলেন,
“একটি কুচক্রী মহল এবং কতিপয় অসাধু সংবাদকর্মী নিজেদের হীন স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, আমি এলাকা থেকে মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্মূলে সোচ্চার থাকায় মাদক সম্রাট ও পাচারকারী চক্রের হোতা ভারত নিবাসী যোগেশ এবং ক
ভারত পলাতক আব্দুল্লাহ,ও আরএসখান এদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই ডিজিটাল প্রোপাগান্ডার শিকার হচ্ছি। তাদের সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই।”
গোলখালী দ্বীপের সাধারণ বাসিন্দাদের মতে, জামু এলাকায় বিবাদ মীমাংসা ও বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকেন। তার জনপ্রিয়তা ও ন্যায়নিষ্ঠায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তাকে ‘ডন’ বা ‘সন্ত্রাসী’ তকমা দেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয়রা জানান, অতীতে তার নামে কিছু মামলা থাকলেও বর্তমানে জেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি কোনো প্রকার অপরাধমূলক বা অসাধু কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। বরং আব্দুল্লাহর মতো পলাতক আসামিদের ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সম্মানিত ব্যক্তিদের চরিত্র হনন করা হচ্ছে, যা একটি পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামির আলী জামু প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন
প্রকাশিত সংবাদে যাদের নাম এসেছে, তাদের সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
ভুল তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করে আমার বিরুদ্ধে নিউজ করানো হয়েছে।
প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করা হোক। আমি যদি অপরাধী হই তবে শাস্তি মাথা পেতে নেব, অন্যথায় যারা কলম বিক্রি করে নিরপরাধ মানুষকে অপরাধী সাজাচ্ছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হোক।
মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানহানি করার দায়ে সংশ্লিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল ও প্রমাণহীন সংবাদ প্রকাশকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তার পরিবার নিশ্চিত করেছে। গোলখালীর মানুষ বিশ্বাস করেন, সত্য অচিরেই উন্মোচিত হবে এবং জামির আলী জামু ষড়যন্ত্রমুক্ত হয়ে স্বাভাবিক সামাজিক কর্মকাণ্ডে ফিরে আসবেন।