বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

পাথরঘাটায় সাবেক মেয়রসহ ৪ কর্মকর্তার নামে ঠিকাদারের মামলা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

তুষার কান্তি হাওলাদার পাথরঘাটা বরগুনা।

‎বরগুনার পাথরঘাটায় পৌর শহরের কাজ শেষ করার পরও বিলের টাকা পরিশোধ না করায় পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আনোয়ার হোসেন আকনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো. সেলিম ফরাজি।

‎মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।

‎অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, পাথরঘাটা পৌরসভার হিসাবরক্ষক মো. বেলায়েত হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মুজিবুল হায়দার এবং সাবেক পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন খান। পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

‎মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল তৎকালীন মেয়র আনোয়ার হোসেন আকনের ১৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৪ টাকার একটি উন্নয়নমূলক কাজের কার্যাদেশ পান ঠিকাদার সেলিম ফরাজি। পৌর সভার বিশেষ আদেশে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি কাজটি সম্পূর্ণভাবে সমাপ্ত করেন।

‎কাজ শেষ হলেও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তার পাওনা ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৬৭৪ টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভায় ঘুরেও বিল না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

‎ঠিকাদার সেলিম ফরাজি সাংবাদিকদের বলেন, আমি বৈধভাবে টেন্ডার পেয়ে কাজ শেষ করেছি কিন্তু সাবেক মেয়র ও মামলায় উল্লিখিত কর্মকর্তারা আমার পাওনা টাকা আটকে রেখে আমাকে হয়রানি করছেন। আমি আমার হাড়ভাঙা খাটুনির পাওনা টাকা ফেরত ও ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি।

‎নির্বাহী প্রকৌশলী মুজিবুল হায়দার টেলিফোনে সেলিম ফরাজীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ করার কথা স্বীকার করে জানান, ঠিকাদার সেলিম ফরাজির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রনী এন্টারপ্রাইজ অনেক কাজ করেছেন কিন্তু ঠিকাদারের মোট পাওনার হিসাব তার জানা নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews