সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ ভৈরব সার্কেল এর মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০০(দুই হাজার) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক ০১ জনকে আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের। গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী ও নলেয়া নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে ‘বনের রানী’ সুন্দরবন ফের উন্মুক্ত ‘বনের রানী’ সুন্দরবন, নতুন আশায় বনজীবী-পর্যটনসংশ্লিষ্টরা যশোরে জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি জব্দ, চালককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাজশাহী মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ঠাকুরগাঁওয়ে ৫২ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার-১ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার। রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও সাইবার সন্ত্রাসের অভিযোগ নেপথ্যে সেই কথিত জব্বার ধোপাঘাটা বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল কোর্ট: মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক বিক্রির দায়ে জরিমানা

খামেনির যেসব নীতিতে বদলে যায় ইরানের রাজনীতির গতিপথ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধী

ইরানের দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশটির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। প্রায় চার দশক ক্ষমতায় থাকা এই নেতা ইরানের নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি, সামরিক কৌশল এবং পারমাণবিক কর্মসূচির দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৮৯ সালে ইরাকের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধের পর পুনর্গঠনের সময়ে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন খামেনি। এরপর থেকে তার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়োগের ওপর প্রভাব বজায় রাখে, যা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোকে আরও কেন্দ্রীভূত করে।

তার শাসনামলে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুধু সামরিক বাহিনী হিসেবেই নয়, বরং দেশের নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। একই সময়ে ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিরও ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটায়। তেহরানের ভাষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলায় এটি একটি প্রতিরোধমূলক কৌশল।

খামেনির শাসনামলের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তিনি বারবার দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। তবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার রক্ষার বিষয়ে তিনি অনড় অবস্থান বজায় রেখেছিলেন, যা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে।আঞ্চলিক কৌশলেও খামেনির নীতির সুস্পষ্ট প্রভাব ছিল। মধ্যপ্রাচ্যে মিত্র সরকার ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে ইরানের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়। তবে এই নীতি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়িয়ে তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির দীর্ঘ নেতৃত্ব ইরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তার মৃত্যু দেশটির জন্য একটি যুগের অবসান হলেও, অনেক ইরানির কাছে এটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews