সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশব্যাপী হত্যা, শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন খুলনা নিউমার্কেটের সামনে দুই গাড়ির সংঘর্ষ, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন আরোহীরা পটুয়াখালী দুর্গোৎসব উপলক্ষে দুঃস্থ নারী-পুরুষের মাঝে বস্ত্র বিতরন পুলিশ সুপারের বিভিন্ন পূঁজা মন্ডপ পরিদর্শন জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যশোরের পৃথক পৃথক অভিযানে ১৫০(একশত পঞ্চাশ) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৩ জন আটক। রাজশাহী জেলার ডিবি পুলিশ কর্তৃক অভিযানে অবৈধ মাদকদ্রব্য ৪৭ বোতল ESkuf উদ্ধারসহ ০১ জন গ্রেফতার দুর্গোৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য পূজামন্ডপ সমূহে পাহারা দিতে হবে — এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরী আশুলিয়ায় জাল নোট উদ্ধার, দুইজন গ্রেফতার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) কর্তৃক ৫২ (বায়ান্ন) কেজি গাঁজাসহ ০১ (এক) জন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার এবং০১ টি মাদক বহনকারী পিকআপ গাড়ী ‍উদ্ধার। ফরিদপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০ মা’মলার আ’সামি শিল্পী রানী গাঁ’জাসহ গ্রে’ফতার ।

খামেনির যেসব নীতিতে বদলে যায় ইরানের রাজনীতির গতিপথ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধী

ইরানের দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশটির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। প্রায় চার দশক ক্ষমতায় থাকা এই নেতা ইরানের নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি, সামরিক কৌশল এবং পারমাণবিক কর্মসূচির দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৮৯ সালে ইরাকের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধের পর পুনর্গঠনের সময়ে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন খামেনি। এরপর থেকে তার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়োগের ওপর প্রভাব বজায় রাখে, যা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোকে আরও কেন্দ্রীভূত করে।

তার শাসনামলে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুধু সামরিক বাহিনী হিসেবেই নয়, বরং দেশের নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। একই সময়ে ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিরও ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটায়। তেহরানের ভাষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলায় এটি একটি প্রতিরোধমূলক কৌশল।

খামেনির শাসনামলের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তিনি বারবার দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। তবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার রক্ষার বিষয়ে তিনি অনড় অবস্থান বজায় রেখেছিলেন, যা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে।আঞ্চলিক কৌশলেও খামেনির নীতির সুস্পষ্ট প্রভাব ছিল। মধ্যপ্রাচ্যে মিত্র সরকার ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে ইরানের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়। তবে এই নীতি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়িয়ে তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির দীর্ঘ নেতৃত্ব ইরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তার মৃত্যু দেশটির জন্য একটি যুগের অবসান হলেও, অনেক ইরানির কাছে এটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews