বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে। মাদকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় গাজীপুরের শ্রীপুরে সন্তানের সামনে ছরিকাঘাতে স্ত্রীকে হ*ত্যার ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্ত স্বামী ছায়েদুল ইসলাম(২৪)’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ পিএমখালীর জুমছড়িতে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দের দাবি রংপুর জেলা পুলিশের “মাসিক কল্যাণ সভা” অনুষ্ঠিত”

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্লাস্টারের নামে অর্থ দাবির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

 

মোহাম্মদ আদনান মামুন, শ্রীপুর (গাজীপুর):
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক কিশোরীর হাতে প্লাস্টার করার জন্য অর্থ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও) আরিফের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের লাকচতল এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম আহত মেয়ে সুমাইয়া (১২)-কে নিয়ে চিকিৎসার জন্য শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসক প্লাস্টার করার জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন। সিরাজুল ইসলাম ১ হাজার ২০০ টাকা দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে ৮০০ টাকা ব্যয়ে মেয়ের হাতে প্লাস্টার করান।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলাম, কারণ সেখানে খরচ কম হওয়ার কথা। কিন্তু প্লাস্টারের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি ১ হাজার ২০০ টাকা দিতে চাইলেও রাজি হননি। পরে বাধ্য হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮০০ টাকা দিয়ে প্লাস্টার করাতে হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে এসে এমন অভিজ্ঞতা খুবই হতাশাজনক।

ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে রোগীর স্বজনের এমন অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

অভিযোগের বিষয়ে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আরিফ বলেন, সরকারি হাসপাতালে প্লাস্টার করার জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয় না। অভিযোগটি সঠিক নয়। আমি শুধু বলেছি, হাসপাতালের কিছু প্লাস্টার-সংক্রান্ত উপকরণ মানসম্মত ছিল না বা প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণ ছিল না। তাই বাইরে থেকে কিছু মালামাল কিনতে হতে পারে, যার জন্য কিছু টাকা খরচ হবে। ব্যক্তিগতভাবে কোনো অর্থ দাবি করিনি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews