
নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। প্রথমদিকে দলীয় একটি পক্ষ ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করলেও পরে জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান মাওলানা আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তাদের বলেছেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার দাবি অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে এবং এটি নতুন নয়, বেশ কিছুদিন আগেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ তিনি জানাতে পারেননি।
এদিকে, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এটি এআই দিয়ে তৈরি কি না, তা নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। পরে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার জানায়, তাদের পর্যবেক্ষণে ভিডিওটিতে এআই বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের সুস্পষ্ট কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভিডিওটির ফুটেজ ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়ে থাকতে পারে।
জেলা জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, ভিডিওটি কীভাবে ফাঁস হলো, কারা এটি প্রকাশ করেছে এবং এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা তারা খতিয়ে দেখছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফল প্রকাশ করা হয়নি।
ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁসের ঘটনা যেমন গোপনীয়তা ও নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে, তেমনি জননির্বাচিত প্রতিনিধিদের ব্যক্তিজীবন নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি করে।