সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ ভৈরব সার্কেল এর মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০০(দুই হাজার) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক ০১ জনকে আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের। গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী ও নলেয়া নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে ‘বনের রানী’ সুন্দরবন ফের উন্মুক্ত ‘বনের রানী’ সুন্দরবন, নতুন আশায় বনজীবী-পর্যটনসংশ্লিষ্টরা যশোরে জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি জব্দ, চালককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাজশাহী মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ঠাকুরগাঁওয়ে ৫২ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার-১ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার। রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও সাইবার সন্ত্রাসের অভিযোগ নেপথ্যে সেই কথিত জব্বার ধোপাঘাটা বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল কোর্ট: মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক বিক্রির দায়ে জরিমানা

এআই দিয়ে সাংবাদিকের ছবি বিদ্বেষ মূলক তথ্য অপপ্রচারের অভিযোগ, বরিশালে মামলা; তদন্তে CID

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ এইচ এম মোশারেফ সুজন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিক এইচ এম মোশারেফ সুজনের ছবি বিদ্বেষমূলক তথ্য ও ছবি এআই দিয়ে অশ্লীল ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। মামলায় পটুয়াখালীর মনিরুল ইসলাম মিঠুকে আসামি করা হয়েছে।

গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ মামলাটি দায়ের করা হয়। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রযুক্তিগত বিষয় তদন্তে প্রয়োজনীয় ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক বিশ্লেষণের ব্যবস্থা নিতে পটুয়াখালী সিআইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার বাদী সাংবাদিক এইচ এম মোশারেফ সুজন পটুয়াখালীতে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করছেন। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করতে পরিকল্পিতভাবে সাইবার মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মনিরুল ইসলাম মিঠুর সঙ্গে বাদীর পূর্ববিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ঘৃণা, বিদ্বেষমূলক ও মানহানিকর তথ্য ও ছবি প্রচার করা হয়। এমনকি বাদীর ব্যবহৃত মেসেঞ্জার আইডিতেও বিদ্বেষমূলক ছবি পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৫ আগস্ট রাতে বাদী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে দেখতে পান, তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফেসবুক প্রোফাইল খোলা হয়েছে। ওই প্রোফাইল থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা নারীর সঙ্গে তার জোড়া ছবি এবং বিভিন্ন মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক ছবি পোস্ট করা হয়েছে। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একই ধরনের কিছু ছবি এর আগে গত জুন মাসে মনিরুল ইসলাম মিঠুর আইডি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। এসব পোস্টের স্ক্রিনশট ও সংশ্লিষ্ট লিংক মামলার সঙ্গে আদালতে দাখিল করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আবু বকর সিদ্দিক হাওলাদার জানান, বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলাটি সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৭, ২৫, ২৬ ও ৩০ ধারাসহ প্রযোজ্য ধারায় করা হয়েছে। মামলার অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিভাইস জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিক মহলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের বিদ্বেষ মূলক ছবি তৈরি ও প্রচার শুধু একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার বিষয় নয়; এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্যও উদ্বেগের। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তবে মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে আসামি মনিরুল ইসলাম মিঠুর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট, পোস্ট ও ডিজিটাল ডিভাইসের ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের আবেদন করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews