
নিজস্ব প্রতিনিধীঃ
গোপন সংবাদে পাওয়া এর মধ্যে আমলাপাড়া ইয়াবা তরিক এবং সাংবাদিক শরীফ এর ১০ হাজার পিস ইয়াবা ছিলো।
মাদক শরীফের ভাইস্তা সাগর যে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসতো সে পলাতক।
আমার আগের পোস্টে এই সাগর এবং আমলা পাড়ার এক মেয়ের ইয়াবাসহ গ্রেফতারের ছবি দেওয়া আছে দেখে নিয়েন।
কুষ্টিয়া শহর বিএনপি’র বিভিন্ন নেতা দের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের এই দোসরা এখনো পর্যন্ত কুষ্টিয়ার বুকে এত বড় বড় মাদকের চালান ঢুকানোর সাহস পাচ্ছে।
৪ কোটি ৮০ লাক্ষ টাকার ই’য়া’বা নিয়ে খাজানগরের মুজাই ড্রাইভার সহ আটক ৫
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে একটি যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিল।
তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের গডফাদার কে বা কারা তা জানান।
থলের সব বিড়াল বাইরে বের হয়ে আসছে।
এদিকে খাজানগরের মুজাই ড্রাইভার মাদকের বিশাল চালান নিয়ে আটক হওয়ায় নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে এ এলাকার মাদকের গডফাদার -ডিলারদের ঘিরে।
যখন যে দল ক্ষমতায় আসে এলাকার মাদকের গডফাদাররা দলীয় ছত্রছায়ায় তাদের মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
ইতিপূর্বেও খাজানগরের কয়েকজন প্রভাবশালী রাইস মিল মালিকের ট্রাক থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছ। ধন্যবাদ পুলিশ ভাইদেরকে