বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে। মাদকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় গাজীপুরের শ্রীপুরে সন্তানের সামনে ছরিকাঘাতে স্ত্রীকে হ*ত্যার ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্ত স্বামী ছায়েদুল ইসলাম(২৪)’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ পিএমখালীর জুমছড়িতে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দের দাবি রংপুর জেলা পুলিশের “মাসিক কল্যাণ সভা” অনুষ্ঠিত”

খামেনির যেসব নীতিতে বদলে যায় ইরানের রাজনীতির গতিপথ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধী

ইরানের দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশটির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। প্রায় চার দশক ক্ষমতায় থাকা এই নেতা ইরানের নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি, সামরিক কৌশল এবং পারমাণবিক কর্মসূচির দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৮৯ সালে ইরাকের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধের পর পুনর্গঠনের সময়ে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন খামেনি। এরপর থেকে তার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়োগের ওপর প্রভাব বজায় রাখে, যা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোকে আরও কেন্দ্রীভূত করে।

তার শাসনামলে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুধু সামরিক বাহিনী হিসেবেই নয়, বরং দেশের নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। একই সময়ে ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিরও ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটায়। তেহরানের ভাষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলায় এটি একটি প্রতিরোধমূলক কৌশল।

খামেনির শাসনামলের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তিনি বারবার দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। তবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার রক্ষার বিষয়ে তিনি অনড় অবস্থান বজায় রেখেছিলেন, যা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে।আঞ্চলিক কৌশলেও খামেনির নীতির সুস্পষ্ট প্রভাব ছিল। মধ্যপ্রাচ্যে মিত্র সরকার ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে ইরানের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়। তবে এই নীতি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়িয়ে তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির দীর্ঘ নেতৃত্ব ইরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তার মৃত্যু দেশটির জন্য একটি যুগের অবসান হলেও, অনেক ইরানির কাছে এটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews