সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ ভৈরব সার্কেল এর মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০০(দুই হাজার) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক ০১ জনকে আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের। গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী ও নলেয়া নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে ‘বনের রানী’ সুন্দরবন ফের উন্মুক্ত ‘বনের রানী’ সুন্দরবন, নতুন আশায় বনজীবী-পর্যটনসংশ্লিষ্টরা যশোরে জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি জব্দ, চালককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাজশাহী মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ঠাকুরগাঁওয়ে ৫২ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার-১ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার। রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও সাইবার সন্ত্রাসের অভিযোগ নেপথ্যে সেই কথিত জব্বার ধোপাঘাটা বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল কোর্ট: মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক বিক্রির দায়ে জরিমানা

পটুয়াখালীতে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে চেয়ারম্যানের ঘুস নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধীঃ

পটুয়াখালীতে গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের ঘুস নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকালে জেলার মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নে ঘুস নেওয়ার ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পরে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম খালি গায়ে লুঙ্গি পরে বসে ভিডিওর বিপরীতে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার বান্ডিল নিচ্ছেন। এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ডে তিনি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ওসি থাকবেন এবং আরও কয়েকজন সদস্য থাকবেন। পাশাপাশি ইউএনও অফিসের এক কর্মচারীকেও টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে শোনা যায়।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য পদপ্রার্থী তামিমের কাছ থেকে নিয়োগের বিষয়ে ওই টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ভিডিওতে ঠিক কত টাকা ছিল বা কার কাছ থেকে তা নেওয়া হয়েছে- বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ধুলাসার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, চৌকিদার নিয়োগ টাকা-পয়সার বিনিময়ে হয় না। ওই টাকা আমার কাছে জমা রাখা হয়েছিল। আমাকে ফাঁসানোর জন্য বিষয়টি ঘটানো হয়েছে। ইউএনও স্যার সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে চৌকিদার নিয়োগ দিয়েছেন। তামিম চাকরি না পেয়ে আমাকে ফাঁসাতে মিথ্যা রটনা করছে। পরে তাকে টাকাও ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মহিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, নিয়োগ পরীক্ষার দিন থানার ওসি বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন না। জরুরি বৈঠকে পটুয়াখালীতে থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ বলেন, শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। টাকার লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews