বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইট চুরি নেপথ্যে খুনের মামলার আসামি ‘আবদার’, নেতার নাম ভাঙিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি থেকে ইট চুরির সময় হাতেনাতে তিনজনকে আটকের ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর অপরাধের খতিয়ান। এই চুরির নেপথ্য কারিগর হিসেবে উঠে এসেছে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মুচিপাড়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আবদারের নাম। দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা এই আবদার একটি আলোচিত হত্যা মামলার ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।

শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ সামগ্রী ও ইট চুরির সময় স্থানীয়রা তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, মুচিপাড়ার আবদারের সরাসরি নির্দেশে এবং পরিকল্পনায় তারা এই চুরি করছিল। তবে জনরোষের খবর পেয়েই মূল হোতা আবদার এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবদার নিজেকে বিএনপি ঘরানার কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে এবং দলের প্রভাবশালী নেতাদের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নিজের দাপট বজায় রাখে। মূলত দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে সে ব্যক্তিগত স্বার্থে,নারী পাচার ও মাদক ব্যবসা
চাঁদাবাজি ও জমি দখল,ছিনতাই ও চুরির সিন্ডিকেট
পরিচালনা করে আসছিল। এলাকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, নেতাদের নাম ব্যবহার করায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না, যার ফায়দা নিয়ে সে দিনের পর দিন অপরাধ করে গেছে

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবদার একটি দুর্ধর্ষ হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি মহলের মাধ্যমে দলবদ্ধভাবে এই খুনের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তার প্রকাশ্য বিচরণ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন খুনের মামলার আসামি কীভাবে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এত দিন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তা রহস্যজনক।

দীর্ঘদিন ধরে পলাতক এবং পুলিশের নাগালের বাইরে থাকা এই সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। বিশেষ করে খুনের মামলা ধামাচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে, যাতে এই কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুরির ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং মূল হোতা আবদারকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews