সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ ভৈরব সার্কেল এর মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০০(দুই হাজার) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক ০১ জনকে আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের। গোবিন্দগঞ্জে কাটাখালী ও নলেয়া নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে ‘বনের রানী’ সুন্দরবন ফের উন্মুক্ত ‘বনের রানী’ সুন্দরবন, নতুন আশায় বনজীবী-পর্যটনসংশ্লিষ্টরা যশোরে জেলি পুশ করা ৩৬ কেজি চিংড়ি জব্দ, চালককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাজশাহী মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ঠাকুরগাঁওয়ে ৫২ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার-১ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার। রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও সাইবার সন্ত্রাসের অভিযোগ নেপথ্যে সেই কথিত জব্বার ধোপাঘাটা বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল কোর্ট: মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক বিক্রির দায়ে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইট চুরি নেপথ্যে খুনের মামলার আসামি ‘আবদার’, নেতার নাম ভাঙিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি থেকে ইট চুরির সময় হাতেনাতে তিনজনকে আটকের ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর অপরাধের খতিয়ান। এই চুরির নেপথ্য কারিগর হিসেবে উঠে এসেছে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার মুচিপাড়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আবদারের নাম। দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা এই আবদার একটি আলোচিত হত্যা মামলার ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।

শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ সামগ্রী ও ইট চুরির সময় স্থানীয়রা তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, মুচিপাড়ার আবদারের সরাসরি নির্দেশে এবং পরিকল্পনায় তারা এই চুরি করছিল। তবে জনরোষের খবর পেয়েই মূল হোতা আবদার এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবদার নিজেকে বিএনপি ঘরানার কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে এবং দলের প্রভাবশালী নেতাদের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নিজের দাপট বজায় রাখে। মূলত দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে সে ব্যক্তিগত স্বার্থে,নারী পাচার ও মাদক ব্যবসা
চাঁদাবাজি ও জমি দখল,ছিনতাই ও চুরির সিন্ডিকেট
পরিচালনা করে আসছিল। এলাকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, নেতাদের নাম ব্যবহার করায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না, যার ফায়দা নিয়ে সে দিনের পর দিন অপরাধ করে গেছে

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবদার একটি দুর্ধর্ষ হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি মহলের মাধ্যমে দলবদ্ধভাবে এই খুনের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তার প্রকাশ্য বিচরণ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন খুনের মামলার আসামি কীভাবে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এত দিন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তা রহস্যজনক।

দীর্ঘদিন ধরে পলাতক এবং পুলিশের নাগালের বাইরে থাকা এই সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। বিশেষ করে খুনের মামলা ধামাচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে, যাতে এই কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুরির ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং মূল হোতা আবদারকে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews