বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

কালিগঞ্জে রিডা হাসপাতালে ডোনারের রক্ত নিতে গিয়ে ‘ভুল’ সুঁই পুশ, সাংবাদিকদের হুমকি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,
২৩ মার্চ, ২০২৬ সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার রিডা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক প্রসূতির জন্য রক্ত দিতে গিয়ে অপেশাদারিত্বের শিকার হয়েছেন মেহেদী নামে এক রক্তদাতা (ডোনার)। দক্ষ নার্স বা টেকনিশিয়ান ছাড়া রক্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে ডোনারের হাতের মাংসপেশিতে সুঁই ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ডা. মামুনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দপুর গ্রামের রাহান হোসেনের স্ত্রী রেহানা খাতুনকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য রিডা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অস্ত্রোপচারের আগে রোগীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন হলে মেহেদী নামের এক যুবক রক্ত দিতে হাসপাতালে আসেন।
ডোনারের অভিযোগ, রক্ত সংগ্রহের সময় কোনো প্রশিক্ষিত নার্স না দিয়ে ডা. মামুন নিজেই রক্ত সংগ্রহ করতে যান। এসময় তিনি শিরার পরিবর্তে হাতের মাংসের গভীরে সুঁই ঢুকিয়ে দেন। এতে রক্ত বের হওয়ার পরিবর্তে ডোনারের হাত ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। যন্ত্রণায় মেহেদী চিৎকার শুরু করলে তড়িঘড়ি করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে ওই যুবক হাতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা ও জখম নিয়ে শয্যাশায়ী।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকরা হাসপাতালে তথ্য সংগ্রহ করতে যান। ভুক্তভোগী পরিবার ও ডোনারের বক্তব্য নিতে গেলে ডা. মামুন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিকদের ক্যামেরায় বাধা দেওয়া হয় এবং খবর প্রকাশ করলে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেওয়া হয়।
রোগীর স্বামী রাহান হোসেন প্রথমে সাংবাদিকদের ডেকে আনলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অব্যাহত চাপে পরবর্তীতে কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, ভয়ে কিছু বলতে পারছি না। কিন্তু রক্ত দিতে এসে মেহেদীর যে অবস্থা হয়েছে, তাতে আমরা চিন্তিত।”

ভুল চিকিৎসার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. মামুন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং উদ্ধত আচরণ করেন। তবে হাসপাতালের একজন কর্মচারী দাবি করেন, সুঁই ফোটানোর বিষয়টি একটি অনিচ্ছাকৃত দুর্ঘটনা।
কালিগঞ্জ উপজেলার সচেতন মহল মনে করছেন, ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে অদক্ষ লোক দিয়ে চিকিৎসাসেবা চালানোর ফলেই বারবার এ ধরণের ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে রিডা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা সিভিল সার্জনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews