বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

শাল্লায় ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে কাঁচি ঠেকিয়ে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে


​শাল্লা (সুনামগঞ্জ) থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে মুখ চেপে ও গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের সেই পাশবিক দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে এক সহযোগী। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ প্রধান আসামি মো: সুফাইল মিয়াকে (২০) ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে।
​অভিযুক্তরা হলো—শাল্লা উপজেলার ২নং হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে মো: সুফাইল মিয়া এবং একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে ও ধর্ষণের সহযোগী সায়েক মিয়া (২০)।
​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সে বাড়ির পিছনের পুকুর পাড়ে নিজেদের হাঁস খুঁজতে যায়। এ সময় সেখানে ওত পেতে থাকা বখাটে সুফাইল মিয়া পিছন দিক থেকে অতর্কিতে শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে চিৎকার দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সুফাইল মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই জঘন্য অপরাধে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে তার সহযোগী সায়েক মিয়া নিজের মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
​পরবর্তীতে শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে বিষয়টি তার পরিবারকে খুলে বলে। পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা শেষে গত ১১ জুলাই বিকেলে শাল্লা থানায় এসে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
​এ বিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রোকিবুজ্জামান জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-০৮, তারিখ: ১১/০৭/২০২৬ খ্রিঃ)। মামলার প্রধান আসামি সুফাইল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিম শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews