বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

‎হয় দস্যুমুক্ত করেন, না হয় জেলেদের মেরে ফেলেন: মানববন্ধনে মৎস্যজীবীরা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

তুষার কান্তি হাওলাদার পাথরঘাটা বরগুনা।

‎ দীর্ঘ বছর সুন্দরবনসহ বঙ্গোপসাগরে দস্যুতা শূন্যের কোটায় আসায় উপকূলজুড়ে জেলেসহ মৎস্যজীবীদের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও সম্প্রতি আবার দস্যুতা শুরু হওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক শুরু হয়েছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।

‎গত কয়েকদিন ধরে সাগর/নদীতে জেলে বহরে হামলা, লুট, অপহরণ, গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটায় উপকূল জুড়ে জেলে ও স্বজনদের ভাবিয়ে তুলেছে।

‎সম্প্রতি দস্যুদের এমন ঘটনার প্রতিবাদে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতি, বিএফডিসি মৎস্য আড়তদার সমিতি, বিএফডিসি মৎস্য পাইকার সমিতি, বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়ন, বিএফডিসি মৎস্য বাজার ঘাট শ্রমিক ইউনিয়নসহ কয়েক হাজার মৎস্যজীবী মানববন্ধন করেছে।

‎বৃহস্পতিবার (২৬ ফেরুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের গোলচত্বরে এ মানববন্ধন করেন তারা।

‎পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
‎মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, সহ সভাপতি আবুল হোসেন ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া, বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

‎গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘সাগরে আবার দস্যুদের তাণ্ডব শুরু হয়েছে। আমরা আগের মতো দস্যু মুক্ত চাই।

‎হয় দস্যুমুক্ত করেন না, হয় আমাদের (জেলেদের) মেরে ফেলেন।
‎অন্যান্য বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জেলা বরগুনার জেলেরা জীবন বাজি রেখে অথৈ সাগরে মাছ শিকার করছে। কখনো কখনো ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয়, কখনো কখনো অথৈ সাগরে তলদেশে ডুবে মৃত্যূবরণ করে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায় পরিবার।

‎এছাড়া সুন্দরবন কেন্দ্রিক সাগরে দস্যুরা তাণ্ডব চালিয়ে জেলেদের সর্বস্ব লুটে নিয়ে যায়, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে। মুক্তিপণের টাকা না দিলে কখনো কখনো দস্যুদের নির্যাতনসহ মেরেও ফেলে।
‎তারা আরও বলেন, গত কয়েক বছর ধরে সরকারের জোরালো পদক্ষেপ এবং র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোরালো তৎপরতায় অনেকটা দস্যুমুক্ত হলেও আবারও তারা মাথা চারা দিয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিনে জেলে অপহরণ, জেলে বহরে হামলা, গুলিবর্ষণের মতো ঘটনাসহ দস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনাসহ উপকূলে জেলেদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক শুরু হয়ে গেছে। বংলাদেশি মৎস্যজীবীদের নিরাপদে মাছ শিকার করাসহ তাদের বাঁচানোর দাবি জানান তারা।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান বলেন, স্মারকলিপি পেয়েছি। আজকেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব। ইতোমধ্যেই বার্তার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews