বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

‎মুক্তিপণ দিয়ে দস্যুদের জিম্মিদশা থেকে ফিরে এলেন ৩ জেলে ‎

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি
‎তুষার কান্তি হাওলাদার পাথরঘাটা বরগুনা।

‎সুন্দরবনে দস্যুদের জিম্মিদশা থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়া পেয়েছেন তিন জেলে।
‎শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তারা পাথরঘাটায় আসেন।
‎ফিরে আসা জেলেরা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে রাজু মিয়া (২৬), আব্দুল মন্নানের ছেলে মো. মাহবুব (৩০) ও ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে মো. রাজু মোল্লা (২৭)।
‎শনিবার দুপুরে ফিরে আসা জেলেরা প্রতিবেদককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
‎জানা যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের কটকা এলাকার হৌলি খালের মধ্য থেকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামের মাসুম মাঝির ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে অপহরণ করে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। একদিন পর আল আমিন ও আবদুর রহিমকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে বাকি তিন জেলেকে মুক্ত করে নিয়ে যাওয়ার শর্তে ছেড়ে দেয় দস্যু বাহিনী।
‎পরে দস্যুদের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী পাথরঘাটায় এসে ট্রলার মালিকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে দস্যুদের কাছে পাঠালেও অপহৃত ওই তিন জেলেকে ছেড়ে দেয়নি। পরে দস্যুদের দু গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হলে জিম্মিদশায় থাকা জেলেরা দিগ্বিদিক হয়ে দৌড়ে চলে যায়।
‎এ সময় রাজু মিয়া, মাহবুব ও রাজু মোল্লা পালিয়ে আসে।
‎ফিরে আসা জেলেরা বলেন, অপহরণের সময় পাঁচজনকে সুন্দরবনে নিয়ে গেলেও শর্ত দিয়ে দুইজনকে একদিন পর ছেড়ে দেয়। আমাদের তিনজনকে ট্রলারের ব্রিজের মধ্যে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতো। মাঝে মাঝে মুক্তিপণ না পাওয়ায় শারীরিক ভাবেও নির্যাতন করতো দস্যুরা।
‎তারা আরও বলেন, দস্যুদের মধ্যে দু গ্রুপের যখন গোলাগুলি শুরু হয় তখন আমরা কৌশলে ছুটে যাই। পরে সুন্দরবনের খাল সাঁতরিয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরে তেলবাহী একটি জাহাজের নাবিক আমাদের উদ্ধার করে মংলা বন্দর ঘাটে এনে ছেড়ে দেয়। সেখান থেকে আমরা পাথরঘাটায় চলে আসি।
‎অপহৃত ট্রলারের মালিক মো. মাসুম মিয়া বলেন, আমার ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলেসহ ট্রলারটি নিয়ে যায় দস্যুরা। দুইজনকে একদিন পর মুক্তিপণের টাকা পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দেয়।
‎পরে টাকা পাঠালেও তিন জেলেকে ছেড়ে দেয়নি দস্যুরা। ফিরে আসা জেলেদের মারধর করায় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

‎বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে দস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এভাবে চলতে থাকলে জেলেরা সাগরে যাওয়া বন্ধ করে দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews