বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা মেডিকেলে ধর্ষণের শিকার শিশুকে দেখতে গেলেন জামায়াতের জেলা আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল বাউফল থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫১০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটক। কলাপাড়া থানা পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুইটি অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারী আটকঃ- পাবনা জেলা পুলিশের সাফল্য প্রাইভেট কার সহ ৫০০ পিস ফেনসিডিল (ESkuf Cough Syrup),সহ ১জন আসামি গ্রেফতার। বিলাসবহুল গাড়িতে মাদক পরিবহন; বিদেশী মদসহ ০১ জন আটক ‎পাথরঘাটার লেমুয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর সফল অভিযান: ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফ উপজেল হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযান: অস্ত্র, ১৬৬ ইয়াবা ও নগদ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকাসহ ৩ জন আটক পুলিশের অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক প্রসঙ্গে।

চ্যানেল এ ওয়ান ও সাত নদী পত্রিকার সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

সম্প্রতি ‘চ্যানেল এ ওয়ান’ এবং ‘সাত নদী’ পত্রিকায় গত ২৬ ও ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভারতের শমশেরনগর বিএসএফ ক্যাম্পের মাদক ও চোরাই পণ্য আটকের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পাঁচজন সম্মানীয় ব্যক্তির নাম জড়িয়ে যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। সংবাদে উল্লেখিত ব্যক্তিরা হলেন— দেলোয়ার হোসেন, আলমগীর হায়দার বাবু, রবিউল ইসলাম, রফিক এবং আইজুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় জনসধারণের দাবি, কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ও অডিও-ভিডিও ছাড়াই সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বহীনভাবে এবং সাংবাদিকতার নূন্যতম নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সংবাদের উল্লেখিত এই পাঁচ ব্যক্তি এলাকায় অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপন করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদক ও অস্ত্রবিরোধী সচেতনতামূলক কাজ করে আসছেন। ইতিপূর্বে মাদক কারবারি ও চোরাচালানিরা (ব্ল্যাকার) নিজেদের স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছিল। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় সত্য প্রমাণিত হওয়ায় এবং জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর তারা বর্তমানে স্বাভাবিক ও সম্মানীয় জীবন অতিবাহিত করছেন।

ভুক্তভোগীদের গুরুতর অভিযোগ, উক্ত গণমাধ্যম দুটির সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা সরজমিনে তদন্ত না করে এবং অভিযুক্তদের সাথে কথা না বলে এই মনগড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। এমনকি নিউজ প্রকাশের আগে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীদের হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছিল। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির প্ররোচনায় এই কাল্পনিক ও মানহানিকর নিউজ প্রচার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ভিনদেশের চোরাকারবারিদের সাথে যে যোগসাজশের দাবি করা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তাদের নাম সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে। সাংবাদিকতার নীতি অমান্য করে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য না নিয়ে এবং স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রের মতামত উপেক্ষা করে নিউজটি সাজানো হয়েছে। এমনকি পুলিশ প্রশাসনের বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে, তাও মূলত গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন।

দেলোয়ার হোসেন, আলমগীর হায়দার বাবুসহ পাঁচজনই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “যদি আমাদের বিরুদ্ধে মাদক বা অস্ত্র চোরাচালানের বিন্দুমাত্র অডিও-ভিডিও বা বাস্তব প্রমাণ থাকে, তবে প্রশাসন আমাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিক। কিন্তু সাংবাদিকদের দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তারা এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একইসাথে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে এবং এই অপসাংবাদিকতার প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews