
নিজস্ব প্রতিনিধি
১| র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে| র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে অদ্যবধি হত্যা মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অপহরণকারী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ ও প্রতারকচক্র গ্রেফতারে সদা তৎপর রয়েছে| স্পর্শকাতর ঘটনা এবং অস্ত্র মামলার সাথে জড়িত আসামিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে|
২| গত ২৯/০৫/২০২৬ তারিখ সিরাজগঞ্জ তাড়াশ থানাধীন হামকুড়িয়া এলাকায় বসবাসকারী মোঃ ওসমান গনির মেয়ে ভিকটিম (৩০)’কে তার শয়নকক্ষে আসামিগণ পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে মারপিট করে, হাত পা বেঁধে ও ধারালো ছুরি ভিকটিমের বুকের বামপাশে নিচে ঢুকিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে| এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা মোঃ ওসমান গনি বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার তারাশ থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে তাড়াশ থানার মামলা নং- ২১, তারিখ- ২৯/০৫/২০২৬ খ্রি:, ধারা- ১৮৬০ সালের পেনাল কোড -এর ৩০২/২০১/৩৪ রুজু হয়| মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে|
৩| এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার লালবাগ ও চকবাজার থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে গতকাল ২৩/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২০.০০ ঘটিকা হতে ২২.৩০ ঘটিকার মধ্যে উক্ত হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত আসামি ১| মো: আলাউদ্দিন (৪০), পিতা- এন্তাজ আলী, ২| মোছা: শিউলী খাতুন সাজেদা (৪০), ¯^ামী- মো: আলাউদ্দিন, ৩| মোঃ আল আমিন (৩২) ও ৪| মোঃ শাহ জাহান আলী (৪৫), উভয় পিতা- এন্তাজ আলী, সর্ব সাং- হামকুড়িয়া, থানা- তাড়াশ, জেলা- সিরাজগঞ্জ’গণকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়|
৪| গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে| র্যাব-১০ এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে| আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ¯^াভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ|